Tuesday, December 7, 2021

দেশের এই ৫ মহিলা IPS অফিসার, পুরুষদের পিছনে ফেলে যাঁরা সাফল্যের চূড়ায় পৌছেছেন

বিগত কয়েক দশকে সমাজ অনেকটাই পাল্টেছে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ছেড়ে বর্তমানে অনেকটাই সমান অধিকারের পথে হেঁটেছে আমাদের দেশ। মহিলারা সমস্ত ক্ষেত্রেই আজকাল পুরুষদের সমান কাজ করছেন, কিছু ক্ষেত্রে তাদেরকে টেক্কাও দিচ্ছেন। সিভিল সার্ভিস বা দেশের অন্যান্য বড় পরীক্ষা গুলিতে আজ পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও সমান ভাবে সাফল্য পাচ্ছেন। আইএএস, আইপিএস সকল ক্ষেত্রেই মহিলারা আজ অনেকটাই এগিয়েছেন। এরকমই পাঁচজন মহিলা আইপিএস অফিসারের কথা জেনে নিন, যাঁরা তাদের কর্ম জগতে নিজের দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি ও সাহসিকতার দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

১. কিরণ বেদি- ভারতের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার কিরণ বেদি। ১৯৭২ সালে তিনি যোগ দেন পুলিশ সার্ভিসে। দীর্ঘ ৩৫ বছর মানুষের সেবা করে ২০০৭ সালে স্বেচ্ছা অবসর নেন। ব্যুরো অব পুলিশ রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর ডিরেক্টর জেনেরেলের পদে কাজ করেন তিনি। দিল্লী, গোয়া, চন্ডীগড়, মিজোরাম ও তিহার জেলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। এছাড়াও দীর্ঘদিন দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৪ সালে বিখ্যাত রামন ম্যাগসাসাই পুরস্কার পান। এছাড়াও একাধিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

IPS Officer

২. অর্চনা রামাসুন্দরম- ১৯৮০ সালে শ্রীমতি অর্চনা রামাসুন্দরম আইপিএস হন। পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেওয়ার আগে তিনি রাজস্থান ইউনিভার্সিটির লেকচারার ছিলেন। সিবিআই এর প্রথম মহিলা অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন অর্চনা রামাসুন্দরম। পরে তিনি চেন্নাইয়ের এসপি নিযুক্ত হন। ১৯৯৫ সালে সাহসিকতার জন্য পুলিশ পদক পান তিনি। ১৯৯৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের ডেপুটেশনের জন্যও নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি।

IPS Officer

৩. মীরা বোরওয়ানকর- মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার ছিলেন মীরা বোরওয়ানকর। তিনি মুম্বাইয়ে সিবিআইয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখায় কাজ করেছিলেন এবং পরে দিল্লিতে সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার ডিআইজি নিযুক্ত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে তিনি মুম্বাইয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রথম মহিলা প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। কুখ্যাত জলগাঁও যৌন কেলেঙ্কারিতে প্রধান তদন্তকারী অফিসার ছিলেন তিনি। তাঁর কাজের জন্য একাধিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পান তিনি। ১৯৯২ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারও পান মীরা বোরওয়ানকর।

IPS Officer

৪. সংযুক্তা পরাশর- ২০০৬ ব্যাচের আইপিএস অফিসার সংযুক্তা পরাশর। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক করার পর জেএনইউ থেকে মাস্টার্স করেন। এরপর যোগ দেন আইপিএস অফিসার হিসেবে। ২০০৮ সালে অবৈধ বাংলাদেশি জঙ্গিদের সাথে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পান তিনি। খুবই দক্ষতার সাথে পালন করেন সেই দায়িত্ব। একজন প্রশাসনিক কর্তা ছাড়াও সামাজিক কার্যক্রম, ত্রাণ, দুঃস্থ মানুষের সেবা করে জনপ্ৰিয়তা অর্জন করেছেন তিনি।

IPS Officer

৫. কাঞ্চন চৌধুরী ভট্টাচার্য- কিরণ বেদির পর দেশের দ্বিতীয় মহিলা আইপিএস অফিসার কাঞ্চন চৌধুরী ভট্টাচার্য। উত্তরপ্রদেশ ক্যাড্রের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার তিনি। ২০০৭ সালে তিনি স্বেচ্ছাবসর নেন তিনি। ১৯৯৭ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান। ওই একই বছরেই রাজীব গান্ধী পুরস্কারও পান তিনি।

IPS Officer

⚡ Trending News

আরও পড়ুন