অফবিট

কালেক্টর অফিসে অপমানিত হয়েছিলেন বাবা! যোগ্য জবাব দিয়ে তামিলনাড়ুর সালেম জেলার প্রথম মহিলা কালেক্টর রোহিণী

জীবনে চলার পথে আমাদের সকলেরই কিছু না কিছু বাঁধা বিপত্তি আসে প্রায়ই। আর সেই সব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে গেলেই জীবনে আসে সাফল্য। তবে এই বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে আসা খুব একটা সোজা কাজ নয় আমাদের ভারতীয় সমাজে, যেখানে একটু পা ফেললেই সমাজের লাঞ্ছনা আর গঞ্জনা। সমাজের বাঁধা বিপত্তির মধ্যে অন্যতম হলো আমাদের দেশের দারিদ্রতা, যার ফলে অনেক প্রতিভাই হারিয়ে যায় কালের নিয়মে। আর দরিদ্রদের সমাজে সবাই যে খুব একটা ভালো চোখে দেখে সেটাও নয়। কিন্তু দারিদ্রতা কি অপরাধ! তা কিন্তু একেবারেই নয়। ঠিক সেই রকমই এক গল্প শোনাবো আজ আপনাদের। সমাজের অপমান , লাঞ্ছনা সহ্য করে সে ‘ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর’ (District Collector)।


‘মহারাষ্ট্র’র (Maharashtra) ‘শোলপুর’র (Sholpur) বাসিন্দা ‘রোহিণী’ (Rohini)। এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম তাঁর, কিন্তু ছোট থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিল ‘রোহিণী’ (Rohini)। মাধ্যমিক পাশ করার পরে শহরে উচ্চশিক্ষার কারণে চলে আসে সে। তারপরে ধীরে ধীরে বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে। তবে তার মধ্যে ঘটে যায় এক ঘটনা। বাবা মেয়ের জন্য সরকারি সাহায্য চাইতে গিয়েছিলেন জেলার কালেক্টর অফিসে; সাহায্য করা তো দূর! দরিদ্র বাবাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয় সরকারি আধিকারিক।

সেই সময় রোহিণী ঠিক করেছিলেন বাবার অপমানের প্রতিশোধ নেবে। ব্যস! যেমন ভাবা তেমন কাজ। ‘ইউপিএসসি’ (UPSC) দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ‘রোহিণী’ (Rohini), বর্তমানে সে ‘তামিলনাড়ু’র (Tamilnadu) ‘সালেম’ (Salem) জেলার মহিলা জেলাশাসক, শুধু জেলাশাসক নয়। জেলার প্রথম মহিলা জেলাশাসকের তকমা পেয়েছেন তিনিই। অর্থাৎ যার বাবাকে একদিন অপমান করে বের করে দেওয়া হয়েছিল জেলাশাসকের দফতর থেকে, সেই মেয়েই আজ জেলাশাসক।

Related Articles