Saturday, January 22, 2022

পুরুষসঙ্গী ছাড়াই অনলাইনের স্পামে গর্ভবতী হলেন এক মহিলা, জন্মালো প্রথম ‘ই বেবি’ গার্ল

চেয়ে ছিলেন মা হতে, তবে শুধু সন্তান ধারণের জন্য বাধ্য হয়ে কোন সম্পর্কে জড়াতে চাইনি ৩৩ বছরের স্টেফানি টেলর। আবার অপরদিকে গর্ভধারণ কেন্দ্রেরও দ্বারস্থ হতে চাননি ওই মহিলা। বরং ইন্টারনেট থেকে শুক্রাণু কিনে ইউটিউব দেখে সেই শুক্রাণু গর্ভে প্রবেশ করার প্রক্রিয়া শেখেন স্টেফানি। অবশেষে ই-বে থেকে প্রজনন প্রক্রিয়ার দরকারি সামগ্রী কেনেন তিনি।

তদিন অনলাইনে বার্তা প্রেরণ বেচাকেনা সবকিছুই হত। কেনাকাটা বা বার্তা প্রেরণের পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিকের অদ্যাক্ষর ‘ই’ জুড়ে দেওয়া হয়। তেমনি স্টেফনির কাহিনি শুনেও অনেকে মনে করছেন তার সন্তানের জন্মের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে অনলাইনের বিষয়বস্তু। তাই ইডেন আসলে ‘ই-সন্তান’।

তবে গর্ভধারণ কেন্দ্রে না গিয়ে বাড়িতে গর্ভধারণ করার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন স্টেফনি? এই বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বিকল্পটি ভেবে দেখেননি তা নয়, কিন্তু এই সমস্ত গর্ভধারণ কেন্দ্রের সন্তান ধারণ করানোর মূল্য এতটাই বেশি ছিলো যে তাকে অন্য রাস্তা দেখতে হয়েছিল।

স্টেফনির ইতিপূর্বে একটি 5 বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এবং দ্বিতীয় সন্তানের জন্য চেষ্টা করছিলেন তিনি। এই বিষয়টি নিয়ে নিজের এক বন্ধুর সাথে আলোচনা করেছিলেন এবং তখন সেই বন্ধুই স্টেফনিকে অনলাইনে শুক্রাণু কেনার একটি অ্যাপের সন্ধান দেন। ওই অ্যাপের দ্বারা শুক্রাণু দাতার পরিবার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যই পাওয়া যায়। স্টেফনি জানিয়েছেন, সেখান থেকেই তিনি নিজের সন্তানের জন্য শুক্রাণু দাতা খুঁজে নেন। স্টেফনি চেয়েছিলেন তার সন্তান তার মতন দেখতে হোক আর তাই তিনি তেমনই কাউকে খুঁজছিলেন যার শারীরিক গঠন তার সাথে মেলে। এবং সেই ব্যক্তি যেন পরিবারমুখী হয়। পছন্দ মতন শুক্রাণুদাতা পেতে স্টেফনির একদিন সময় লেগেছিল। এরপর দুই সপ্তাহের মাথাতেই শুক্রাণু পেয়েও যান তিনি। এবং প্রথম চেষ্টাতেই সফল হয়ে যান।স্টেফনি জানান, এই বিষয়ে তার পরিবারের লোক প্রথমে রাজি না হলেও ইডেনের জন্মের পর তারা সকলেই খুশি। নিজের চেষ্টাতেই একটি প্রাণ তৈরি করাতে নতুন মা স্টেফনিও বেশি আনন্দিত

⚡ Trending News

আরও পড়ুন