নিউজ

কথায় আছে যখন কপাল খোলে চন্দন লাগায় কপালে! এমনি ঘটনা ঘটলো বনগাঁর ভাগচাষীর সাথে,

বড়দিনের বড় চমক এবার উত্তর 24 পরগনা জেলার বনগায়। এক গরিব কৃষকের ছেলে রাতারাতি হয়ে গেলে কোটিপতি। লটারি কেটে ভাগ্যজোরে কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি। বড়দিনে রাতে রূপকথার গল্পে স্যান্টাক্লজ ছোট শিশুদের হাতে রকমারি উপহার দিয়ে যায়। রাতের অন্ধকারে চুপিচুপি ঘরের ভেতর ঢুকে বালিশের পাশে মোজায় সেইসব উপহার রাখা থাকে। পরদিন সকালে উঠেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠে শিশুমন।

তবে বনগাঁর কৃষক পরিবারের মাটির ঘরে দীর্ঘদিন ধরে আনন্দের আলো এসে পৌঁছায়নি। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি বিছানা শয্যায়। তার ছেলে কৃষ্ণ মন্ডল স্ত্রীর ওষুধ সংসার চালানো সবকিছু একা হাতে বহন করে। সারাদিন মাঠে খাটাখাটনির পর অতিরিক্ত রোজগারের আশায় একটা দোকানে কাজ করে কৃষ্ণ। নুন আনতে পান্তা ফুরায় যে বাড়িতে সেখানে এক কোটি টাকা খানিকটা হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো। কিন্তু এমনই চমকপ্রদ কান্ড ঘটে গেলেও 25 শে ডিসেম্বরের দিন।

লটারি কাটা নেশা ছিল কৃষ্ণের। বিগত কয়েক বছর ধরেই লটারি কেটে তেমন লাভের মুখ দেখতে পায়নি সে। স্ত্রী রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন স্বামী লটারি কাটার ধুম দেখে। কিন্তু কে জানত এই নেশা একদিন তাকে রাজা করে তুলবে। বড়দিনের সকালে অবশেষে এলো সুখবর। প্রথম পুরস্কার ডলারে এক কোটি টাকা জিতে নিয়েছে কৃষ্ণ মন্ডল। প্রথমটায় নিজের চোখ এবং কানকে বিশ্বাস করতে পারেননি কৃষ্ণ। কিন্তু তার বাড়িতে যখন গোটা গ্রাম ভিড় করে আসে তখনই চক্ষুচড়কগাছ হয় কৃষ্ণ এবং তার পরিবারের। লটারি টিকিট নিয়ে সোজা থানায়।

প্রশাসনের তরফে তাকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সব রকম নিরাপত্তা ও সহযোগিতা করা হবে। লটারি টাকা দিয়ে বাড়ি টাকা করতে চান ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা, বউ এর চিকিৎসা এবং কয়েকটা সোনার গয়না ব্যাস এইটুকু চাহিদা কৃষ্ণ মন্ডলের। দরিদ্র পরিবারের ছেলে তাই সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য কিছু অনুদান দিতে চান তিনি। বড়দিনের দিন এমন আশীর্বাদ পেয়ে বাকরুদ্ধ কৃষ্ণ মন্ডল

Related Articles