নিউজ

ঠিক যেকারনে এলন মাস্ক ও মার্ক জুকারবার্গের সম্পর্ক “আদায় কাঁচকলায়”!

কথায় বলে রাজায় রাজায় দ্বন্দ্ব। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এবং বিশ্বের অন্যতম ধনী শিল্পপতি এলন মাস্কের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক মোটেও যে উন্নত নয় তা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু তাদের মধ্যেই পারস্পারিক দ্বন্দ্বের কারণ কি? কেনই বা তারা একে অপরের মুখ দেখতে চান না?

বিশ্বের অন্যতম ধনী শিল্পপতিদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ এবং এলন মাস্ক। তাদের দুজনেরই সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় কয়েক হাজার কোটি। দুজনেই একই সময়ে নিজেদের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। তারপর নানান উত্থান-পতন ঘাত-প্রতিঘাতের সম্মুখীন হয়েছিলেন এই দুই শিল্পপতি। একসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ত্রুটিপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন মাস্ক। টেসলা ও স্পেস এক্সের কর্ণধার এক হলিউড তারকা আর ফেসবুক সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য দিয়ে নিজের সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করেছিলেন। সেখানে লেখা ছিল আমরা এক ব্যক্তিকে আড়াইশো কোটি জল বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ করতে দিনা তবে কেন একজন মানুষকে আড়াইশো কোটি মানুষের তথ্য দেব? এছাড়া ফেসবুকে জঘন্য মেশিন বলেও অভিহিত করেন ব্যারন কোহেন এবং এলন একযোগে। তারা আরো জানান ফেসবুকে মিথ্যা রাজনৈতিক অপপ্রচার চালানো হয়। 2018 সালে মাক্স বলেন, আমার কোম্পানির ফেসবুক পেজ আছে আমি নিজেই জানিনা আসলেই ফেসবুক ব্যবহার আমি মোটেও পছন্দ করি না।

তিনি আরো জানান ফেসবুক ছাড়া আমি শহীদ হয়ে যায়নি সেখানে কোনো রকম বিজ্ঞাপন দেব না। শুরুতে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করলেও পরে তা বন্ধ করে দেন তিনি। কিন্তু ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করে দিলে ও টুইটারের প্রতি তার আলাদা মোহময়মতা আছে বলে দাবি করেন তিনি। ওই একই বছর মার্কিন প্রযুক্তিবিদ অ্যাপেল এর কর্ণধার ফেসবুক একাউন্ট মুছে ফেলেন বলেও জানা যায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান মাস্কের পথ অবলম্বন করে তিনি এই কাজ করেছেন। তাছাড়া যে সময় 11 বিলিয়ন মানুষ ফলো করতেন। সেখানে এলনের ফলোয়ার সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল। শোনা গিয়েছিল মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দিয়েছিলেন তারা। যদিও প্রকাশ্যে কখনো মার্ক জুকারবাগকে এই ব্যাপারে বলতে শোনা যায়নি।

Related Articles