×
নিউজ

কালেক্টর অফিসে চরম অপমানিত হয়েছিলেন বাবা, যোগ্য জবাব দিতে মেয়ে আজ নিজেই অফিসের কালেক্টর

Advertisements
Advertisements

আজকের দিনের নারীরা পুরুষদের থেকে কোন অংশে কম নয় সমানতালে পুরুষদের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে তারা। পুরুষদের থেকে কোন পেশা তেই তারা পিছিয়ে নেই। প্লেন চালানোর থেকে শুরু করে দেশ সেবার কাজ সবেতেই নারীরা পারদর্শী।

Advertisements

বর্তমান প্রজন্মের সকল নারীই নিজের ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করতে চান। আজ আপনাদের সামনে এমন একজনের গল্প তুলে ধরবো যিনি নিজের বাবাকে কালেক্টর অফিসে অপমানিত হতে দেখে সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে নিজে কালেক্টর হয়েছেন।

মেয়েটির নাম রোহিণী। ছোটো থেকেই বরাবর পড়াশুনাতে ভালো ছিলেন তিনি। ছোটো থেকেই ইচ্ছে ছিলো বড় হয়ে কিছু করে দেখানোর, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বর্তমানে দারিদ্রতাকে হারিয়ে সফল হতে পেরেছে রোহিণী।

রোহিণীর জন্ম হয়েছিল অত্যন্ত গরীব একটি পরিবারে। মহারাষ্ট্রের সলাপুর নামক একটি গ্রামের অত্যন্ত গরিব পরিবারের মেয়ে ছিল সে। গ্রামেরই সরকারি স্কুল থেকে দশম শ্রেণী পাস করে। উচ্চশিক্ষার জন্যে পরবর্তীতে স্থানীয় শহরে এসে পড়াশোনা শুরু করেন। সেই পরিবারে থেকে কঠোর পরিশ্রম করে সরাসরি ইউপিএসসি মত একটি কঠিন পরীক্ষায় পাশ করে আইপিএস অফিসার হয়েছেন রোহিণী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পরই ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি করেছিলেন তিনি। আর্থিক সহায়তার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে পাওয়া যায় তার জন্য সরকারি দপ্তরে তার বাবা বারবার ছুটে গিয়েছেন। কিন্তু গরিব পরিবার বলে তাকে বারবার অপমান করা হতো, অত্যাচার করা হতো সেই সমস্ত অফিসে।

বাবার চোখের জল দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি রোহিণী। তখন থেকেই ছোট্ট মেয়েটির মনে প্রতিশোধের ক্ষোভ জন্ম নিয়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন একদিন না একদিন বড় অফিসার হয়ে তিনি এই অপমানের শোধ ঠিকই নেবেন।
বর্তমানে দীর্ঘদিনের মনের জেদ ও স্বপ্ন সফল হয়েছে রোহিণীর। তিনি বর্তমানে একজন আইপিএস অফিসার। তামিলনাড়ুর সালেম জেলার প্রথম মহিলা কালেক্টর রোহিণী। ইতিমধ্যেই কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন।

রোহিনীর মত মেয়েরা সমাজের বাকি মেয়েদের কাছে অনুপ্রেরণা। তিনি প্রমাণ করে দিলেন যে মনের জোরে মানুষ সব পারে। হাজার হাজার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সমস্ত বাঁধা পেরিয়ে আজ সে সফল। তিনি আজকে সকল নারী জাতির গর্ব।

Advertisements