×
নিউজ

মেয়েদের নোংরা ভিডিও শুট করাত তিন যুবক, সেই ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে আয় হত ২ কোটি টাকা

Advertisements
Advertisements

বর্তমানে আমরা ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও দেখে থাকি। কখন ও সেগুলো হয় মজার তো কখন ও সেগুলির সাহায্য আমরা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে থাকি। বলতে গেলে ইউটিউব অনেকের কর্মসংস্থানের জায়গা ও বটে। অনেকেই আছেন যারা প্রতিনিয়ত ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে দর্শকদের মনোরঞ্জন করেন বা করে থাকেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের উপার্জন ও বৃদ্ধি করেন এবং এই ভিডিও গুলি অনেক ক্ষেত্রে, সকলের কাছে খুবই জনপ্রিয়তাও পায়।

Advertisements

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসলো এই রকমই একটি ঘটনা। খবর সূত্রে জানা যায় যে,ইউটিউবে মজাদার ভিডিও বানানোর নাম করে মেয়েদেরকে জোর করে শ্লীলতাহানি করত ৩ যুবক এবং তারা সেই ভিডিও পোস্ট করত তাদের নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলে। জানা যায় যে, এই ভিডিও বানানোর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে মোটা টাকা আয় ও করত তারা।

জানা যায় যে তারা মজার ভিডিও শুট করবে বলে মেয়েদের তাদের সেটে ডেকে, মেয়েদের শ্লিলতাহানি করা হত এবং তার ভিডিও শুট করত তারা। শোনা যায় যে, এই ভিডিও শুট করতে আপত্তি জানালে মেয়েদের রীতিমত ধমক দেওয়া হত। এই ভিডিও শুট এর সময় তারা জোর করে মেয়েদের সারা শরীর ছুত এবং একবার ভিডিও শুট করে নেওয়ার পর ওই ৩ যুবক শুট করা ভিডিওটি দিয়ে মেয়েদেরকে দেখিয়ে ভয় দেখাত।

খবর সূত্রে জানা যায়, বিচ, গোরাই বিচ, আকসা বিচ বা বিএমসি গার্ডেনস সহ আরও অনেক জায়গায় এই ভিডিওগুলি শুট করতো তারা। এই তিন যুবক হলেন, মুকেশ ফুলচন্দ গুপ্ত, প্রিন্স কুমার রাজু সাও, জিতেন্দ্র বাইচেত রাম গুপ্ত। জানা যায় যে এদের ১৭টি ইউটিউব চ্যানেল আছে আর তাতে প্রায় তারা ৩০০ এর বেশি এই ধরনের ভিডিও তাদের ইউটিউব চ্যানেল এ আপলোড করেছে, এবং এর মাধ্যমে তারা প্রায় ২ কোটি টাকা আয় করত।

এদের ওপর ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী, ২৯২, ২৯৪, ৫০৯, ৩৪ ধারা ও তথ্য প্রযুক্তি অ্যাক্টের ৬৭, ৬৭ বি ধারা এবং পোকসো মামলা দায়ের করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়৷ তবে খবর সূত্রে জানা যায়, দিল্লি এবং ঝাড়খণ্ডেও কয়েকটি দল আছে এদের যারা এই কাজ করে চলেছে৷ পুলিশ সূত্রে জানানো হয় তাদেরকে ও খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়টি সামনে আসায় তা নেটদুনিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে।

Advertisements