শীতকালে চুলের ডগা কেটে পড়ছে ? সমস্যা থেকে মুক্তি মেনে চলুন এই ৫ টি টিপস

Hair care

আপনার কি দিন দিন মাথার চুল ঝরে পাতলা হয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র চুল ঝরে পরা নয় চুলের রুক্ষতা, চুলের ডগা ফাটার সমস্যাতেও ভুক্তভোগী অনেকেই। তাই আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ ঘরোয়া টোটকা যেগুলি ব্যবহারে আপনার চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা সহজেই রোধ করতে পারবেন। তাহলে আর দেরি না করেই জেনে নেয়া যাক ঘরোয়া টোটকা গুলি-

১) সর্বপ্রথম আপনাদের প্রতি মাসে একবার করে চুলের ডগা সামান্য হলেও কেটে (hair trimming) ফেলতে হবে। এর ফলে আপনার চুল খুব দ্রুত বেড়ে উঠবে।

২) চুলের ডগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে নারকেল তেলের (coconut oil) ভূমিকা অনস্বীকার্য। অন্ততপক্ষে সপ্তাহে দু-তিন দিন নারকেল তেল মাথায় দেওয়া উচিত। কারণ একমাত্র নারকেল তেল চুলের গভীরে গিয়ে চুলের আদ্রতার পাশাপাশি ডগা ফাটা রোধ করে।

৩) সপ্তাহে অন্তত একদিন আপনাকে প্রোটিন হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে হবে। একটি কাঁচা ডিমের সঙ্গে তিন চামচ টক দই, এক চামচ মধু, এক চামচ অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে দু ঘন্টার জন্য চুলে লাগিয়ে রেখে দিন। কাঁচা ডিমের মধ্যে থাকা প্রোটিন যা চুলকে স্বাস্থ্যকর ও সিল্কি করে তোলে, টকদই যা চুলে পুষ্টিযোগান দেয়। মধুর মধ্যে রয়েছে আন্টি অক্সিডেন্ট যা চুলকে ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে এবং অ্যালোভেরায় থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা চুলের রুক্ষতা দূর করে।

৪) হেয়ার প্যাক এর পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন আপনাদের হেয়ার স্পা ও করতে হবে। এর জন্য গরম জলে নারকেল তেল দিয়ে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে জল ঝরিয়ে গরম তোয়ালে টি আপনার চুলে জড়িয়ে রাখুন।

৫) চুলের ডগা ফাটা রোধ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো চুলের ভেতরে উপযুক্ত খাবার প্রদান। চুলকে বাইরে থেকে যেমন করে যত্ন নিবেন তার চেয়েও বেশি ভেতর থেকে যত্ন নিতে হবে। এর জন্য ভিটামিন সি যুক্ত খাবার যেমন লেবু,কমলা লেবু,আমলকি এই ফলগুলি খেতে পারেন।

প্রধানত আদ্রতার অভাবেই চুলের ডগা ফাটে। এছাড়াও কেমিক্যালযুক্ত বিউটি ট্রিটমেন্ট, কেমিক্যাল যুক্ত শ্যাম্পু , তেল ব্যবহারে, চুল বেঁধে রাখলে, চুলের ডগা ফাটে। তাই কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে এই ঘরোয়া টোটকা গুলির মাধ্যমে আপনার চুলের সমস্যা দূর করে ফেলতে পারেন।