Didi No.1 বন্ধের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায়, বিনা কারণে ক্ষুব্ধ দর্শকগণ!

Didi No 1

জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi no 1) নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে শুরু হয়েছে তরজা। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে এই রিয়েলিটি শোকে। অনুষ্ঠানে রবিবার সম্প্রচারিত হওয়া একটি পর্বকে ঘিরে তুমুল হৈচৈ শুরু হয়েছে। ওই পর্বতে দেখানো হয়েছে সুন্দরবনের এক পরিবারকে। যেখানে অংশগ্রহণকারী জ্যোৎস্না শী জানিয়েছেন, কিভাবে তিনি বাঘের মুখ থেকে নিজের স্বামীকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছেন। বাঘের আক্রমনে কিভাবে তার স্বামীর একটি হাত অকেজো হয়ে গিয়েছে। সেই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে ট্রোল।

ফেইসবুকে একাধিক মিম তৈরি করে দাবি করা হয়েছে পুরো ঘটনাটাই নাকি ভুয়ো। এমনকি ওই মহিলার স্বামীর জামার ফাক দিয়ে বেরিয়ে থাকা হাতের ছবিটির লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করে সেই নিয়ে কুমন্তব্য করা হয়। নেটিজেনদের তরফ থেকে দাবি তোলা হয় দিদি নাম্বার ওয়ান নিষিদ্ধ করার।

ওই সর্বস্বান্ত হতদরিদ্র পরিবারটিকে নিয়ে টানা দু’দিন নানা মুনির নানা মত প্রকাশ করেছে। আর বুধবার অবশেষে তাদের পাশে দাঁড়ালেন তাদের পূর্ব পরিচিত পদ্মাবতী মণ্ডল। ফেসবুকে তিনি দাবি করেন, ‘দিদি নাম্বার ওয়ানে আসার পর থেকে ওই পবিবারকে নিয়ে যে জঘন্য কুৎসা রটানো হচ্ছে তা সত্যিই নিন্দার। জামার ভেতর থেকে ঝুলে থাকা হাত দাগ দিয়ে দেখানো হচ্ছে। কিছু না জেনে বিচার করছে সবকিছু, এটা দেখে ভীষণ খারাপ লাগছে’। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনের বাসিন্দা ওই পরিবার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, বাঘের আক্রমণে ওই ব্যক্তি পঙ্গু হয়ে পড়ায় পরিবারটি আরো অসহায় হয়ে পড়েছে। ওই দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে যে একাদশ শ্রেণীতে পড়ে। ভালো ছবি আঁকে। এবং রয়েছে একটি ছোট নাতনি। ওই ঘটনা যে ভুয়ো নয় তা জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ট্রোলারদের পাশাপাশি বেশকিছু নেটিজেন ওই পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। যারা অকারনে এই পরিবারটিকে নিয়ে এমন জগন্য মন্তব্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর চড়িয়ে অনেকেই বলেছেন, মানুষকে নিয়ে এইভাবে কুৎসা না রটিয়ে, দরকার পড়লে ওই পরিবারটির সারা বছরের দায়িত্ব নিন। কটাক্ষ করা সহজ হবে পরিস্থিতি অনুযায়ী তার পাশে দাঁড়ানো সহজ কাজ নয়।