তোর্সা নাক সাঁড়াশি দিয়ে উবড়ে ফেলতে গেল মিঠাই রানী, কান্ডকারখানা দেখে রেগে আগুন উচ্ছে বাবু

Bengali Actor

বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মিঠাই প্যাঁচে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল তোর্সা বুড়ি। তবে কে জানতো তার ফলাফল এতটা বাড়াবাড়ি হবে! বড় জা একেবারে প্ল্যানমাফিক মিঠাইয়ের হাতে একের পর এক মদের গ্লাস তুলে দেয়। কিন্তু মদ খাওয়ার পর পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে তা কখনও দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি টেস। রান্নাঘরে মাংস গরম করার সময় আচমকাই মিঠাইকে জোর করে ধরে বেঁধে গলায় ঢেলে দেয় মদের গ্লাস। তাঁকেই একবারে হুঁশ হারিয়ে ফেলে মিঠাই (Mithai)। তারপরে একেবারে তোর্সাকে সাঁড়াশি নিয়ে তেড়ে যায় মিঠাই।

Bengali Actor

মদ খেয়ে একেবারে নিজের হুঁশ হারিয়ে সে মনে মনে কল্পনা করতে থাকে সিদ্ধার্থ তোর্সাকে বৌদিমওনি বলে ডাকছে আর সেই রাগে তোর্সা সিদ্ধার্থের নাক উপড়ে দিচ্ছে সাঁড়াশি দিয়ে। ওদিকে তোর্সা আর আগের দিন বলে দিয়েছিল, যদি পার্টিতে সবার সামনে মিঠাই এর উচ্ছেবাবু তাঁকে বৌদিমণি বলে ডাকে তাহলে সে সাঁড়াশি দিয়ে সিদ্ধার্থের নাক উপরে নেবে।

Bengali Actor

সিদ্ধার্থ এদিকে কম যায় না। একেবারে ফন্দি এঁটে গানের মাধ্যমে তোর্সাকে বৌদিমণি বলে ডাকে। এরকম কান্ড কালাপ দেখে একেবারে অবাক হল্লা পার্টি। মিঠাই এর হাত থেকে তোর্সাকে বাঁচাতে একেবারে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয় সিদ্ধার্থ থেকে শুরু করে সকলেই। বাবাগো মাগো বলে প্রাণপণে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে টেস। অবশেষে সিদ্ধার্থ এক বালতি জল ঢেলে মিঠাইকে শান্ত করার চেষ্টা করে। জলের ধাক্কায় ততক্ষনে জ্ঞান হারিয়ে ঘুমের দেশে চলে যায় মিঠাই রানী।

এত ঝামেলার পর পর দিন সকালে একেবারে কেস জন্ডিস। মিঠাই পরেরদিন সকালে উঠেই কিছুতেই মনে করতে পারে না মাংস গরম করতে যাওয়ার পর থেকে কি হয়েছিল। উচ্ছেবাবুর গভীর রাগ দেখে গতকালের কাণ্ডর গভীরতা রয়েছে তা ঠাহর করতে পারে মিঠাই। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও কেন টেসের সঙ্গে মিঠাই প্রাঙ্ক করেছে তাও জানতে চায় সিদ্ধার্থ। তবে জোর করে তোর্সা মিঠাইকে মদ খাইয়েছে এমন সাফাইও কিছুতেই শুনতে রাজি হয়না সিদ্ধার্থ।

ওদিকে উচ্ছে বাবুর বকা খেয়ে একেবারে কেঁদে ফেলে মিঠাইরানী। তবে তোর্সার সামনে মিঠাই-এর পক্ষ নেয় মিঠাই-এর কার্তিক ঠাকুর। সেই স্পষ্টভাবেই তোর্সাকে বলে, ‘তুই প্ররোচণা না দিলে মিঠাই কোনওদিন এই কাজটা করত না। মিঠাইয়ের কম দোষ নেই, তবে তুই ওকে প্রোভোক করেছিস’। মিঠাই-এর সাথে বাজে ব্যাবহার করতে দেখে সিদ্ধার্থের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হয় তাঁর বাবা। অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য সবাই শরণাপন্ন হয় দাদাইয়ের।