×
বিনোদন

‘আমার জীবনে কোনো পুরুষ মানুষের প্রয়োজন নেই ‘,অবশেষে মুখ খুললেন রচনা ব্যানার্জী

Advertisements
Advertisements

অভিনেত্রী রচনা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rachana Banerjee) নিয়ে মানুষের আর কৌতূহলের অন্ত নেই। তবে বরাবরই অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি সামাজিক মাধ্যম থেকে এবং সংবাদমাধ্যমের লাইমলাইট থেকে বেশ কিছুটা দূরেই থাকেন। অভিনেত্রীর সঙ্গে সেভাবে শোনা যায় না কোন পুরুষের প্রেম বা দেখা যায় না কোনো পুরুষের সঙ্গে তাঁর ছবি। এই নিয়ে ইউটিউব এর নানারকম ভিডিওতে গবেষণা চলতেই থাকে তাঁকে নিয়ে, যেমন, “তোমার বর্তমান স্ট্যাটাস কী? আর ইউ সিঙ্গল, ম্যরেড, হ্যাপিলি ম্যারেড, সিঙ্গল ওয়েটিং টু মিঙ্গল… কী?”

Advertisements

তবে অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি এবারে জানিয়ে দিলেন, “ওয়েটিং টু মিঙ্গল তো একদমই নয়।”, এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জীর আরও বক্তব্য, “আমি ম্যারেড… আই অ্যাম নট হ্যাপিলি ম্যারেড। আই অ্যাম নট ডিভোর্সড। ছেলের জন্য ডিভোর্সটা করিনি। কারণ আমি কখনও চাইনি যে আমার ছেলেকে এই ট্যাগটা দেওয়া হোক যে তাঁর বাবা-মা ডিভোর্সড। এটা আমার এবং আমার স্বামীর মিলিত সিদ্ধান্ত। আমরা বন্ধু হিসেবেই থাকব। তাই আমরা ডিভোর্সড নই। আমরা একসঙ্গে থাকি না। কিন্তু আমরা বন্ধু।”

অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের আরো সংযোজন, “আমার ছেলেকে নিয়ে আমরা বেড়াতে যাই। আমরা রেস্তরাঁয় খেতে যাই। আমার ছেলের যখন পরীক্ষা হয় আমার স্বামী আসে। ছেলেকে পড়ায়। তখন তাঁর সঙ্গে থাকে এবং আমরা যখন কথা বলি, তিনজনে মিলে বসি, তখন হাসিমজা করি। আবার বাই বাই করে যে যার বাড়িতে চলে যাই। এমনভাবেই আমরা আমাদের লাইফটাকে গুছিয়ে নিয়েছি।”

অভিনেত্রী তাঁর স্পষ্ট কথায় জানান তাঁর জীবনে বর্তমানে আর অন্য কোন পুরুষের প্রয়োজন নেই। তিনি কোনরকম ভাবেই আর সেটেলড হতে চান না। তবে ত এত সাফল্য শেয়ার করার জন্য কাউকে না কাউকে তো এক সময় প্রয়োজন পড়েই! এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি সেই জন্য বন্ধুদের নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন। এর পাশাপাশি ভালোবাসেন ঘুরে বেড়াতেও।

তাহলে এবার প্রশ্ন হচ্ছে সেই বন্ধুটাকে! যাকে তিনি মন খুলে বলতে পারেন যে দিদি নাম্বার ওয়ানের শোয়ের টিআরপি আরো বেড়ে গিয়েছে এবং জি বাংলা তার জন্য বাড়িয়ে দিয়েছে আরো টাকা! এই প্রশ্ন শুনে অভিনেত্রী বেশ খানিকটা হাসেন। তারপর প্রত্যুত্তরে জানান, “এরকম একজন নেই, অনেকে রয়েছে। ভাল বন্ধু আছে সব। যাঁদেরকে আমি ফোন করে করে বলতে পারি। তার মধ্যে তুমিও কিন্তু একজন হ্যাঁ! গৌতমদা। তোমার কথা বলি তুমি আমার ইন্টারভিউ নিলে আজ এতদিন পরে। তুমি কিন্তু আমাকে প্রচুর গাইড করেছো। প্রতিমুহূর্তে অনেকবার। ফোন করে করে বলেছো। এমনি দেখা হলে বলেছো। যে রচনা এটা করো … এটা কোরো না। বা তুমি এরকম ভাবে করছ না কেন। বা এটা করলে তোমার জীবনে আরও বেশি সাকসেস আসবে। এগুলো অনেক গাইড করেছো। তুমিও কিন্তু সেই মানুষগুলোর একজন যাঁদের আমি ফোন করে বলতে পারব… আজকে আমি ভীষণ খুশি। আজকে আমার টিআরপি এই জায়গায় এসে পৌঁছে গিয়েছে।”

Advertisements