নয়া টুইস্ট মিঠাই ধারাবাহিকে! বদলে গেল সকলের প্রিয় মিঠাই রানী, অপেক্ষার প্রহর গুনছে দর্শকরা

ActressTollywood

বদলে গেল মিঠাই! মোটা লম্বা বিনুনি, রঙ-বেরঙের শাড়ী উধাও হয়ে গেল সবকিছুই। বাধাধরা ছক ভেঙ্গে একেবারে অন্য লুকে মিঠাই (Mithai)। সহজ সরল সাদা মেয়ে থেকে একেবারে গোয়েন্দা! ইতিমধ্যেই হইহুল্লোড় করে শেষ হয়েছে মিঠাইয়ের মোদক পরিবারের পিকনিকের পর্ব। পিকনিকের পর্ব শেষ হতে না হতেই আবারো মিঠাইয়ের মোদক পরিবারে নেমে এসেছে নতুন মোচড়। বিশ্বাসবাবু বাড়ি এসে খবর দিয়ে গেছেন কিছুদিনের মধ্যেই মিঠাইয়ের গ্রুপের বিজনেস ফুড লাইসেন্স ক্যানসেল করে দেওয়া হতে পারে।

বিশ্বাসবাবুর কথা অনুযায়ী মোদক গ্রুপের তিনটি দোকান থেকে বিক্রি হচ্ছে বাসি মিষ্টি। মোদক গ্রুপের বিজনেসের ঐতিহ্য হল কোন দোকান থেকে কখনো বাসি মিষ্টি বিক্রি হয় না। দিনের শেষে যাবতীয় যা মিষ্টি বেঁচে থাকে সবকিছুই চলে যায় অনাথ আশ্রমের কাছে। তবে এই তিনটে দোকান থেকে বাসি মিষ্টি বিক্রি হওয়ায় বেশ তুলকালাম কাণ্ড বেঁধেছে মোদক গ্রুপের বিজনেস নিয়ে। এই তিনটি দোকান লেখা রয়েছে সোমদার নামে। যদিও মিঠাই প্রথমে সন্দেহ করেছিল নতুন কর্মচারীরা হয়তো দাদুর নিয়ম জানে না তাই তারা দোকান থেকে মিষ্টি বিক্রি করছে।

তৎক্ষণাৎ মিঠাই ঠিক করে নিজেই ছদ্মবেশে যাবে সোমদার দোকানে এবং খোঁজ নেবে। নিজের ভাবনা মতোই করে ফেলে কাজ। একেবারে অ্যাশ কালারের শাড়ি চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা দিয়ে এক অনাথ আশ্রমের মহিলা সেজে হাজির হয় সোমদার বেহালা ব্রাঞ্চের দোকানে। সেখানে গিয়ে নতুন কর্মচারীদের বলে অনাথ আশ্রমের জন্য মিষ্টি দিতে। তবে দোকানের কর্মচারীরা তাকে জানিয়ে দেয় সেই ব্রাঞ্চ থেকে কোনরকম বাসি মিষ্টি অনাথ আশ্রমের যায় না।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by SOUMITRISHA (@soumitrishaofficial)


তারপরে সেই স্পটে উপস্থিত হয় তোর্সা এবং সোম। তাদের আলোচনা শুনে মিঠাই বুঝে যায় এই সবকিছুর মধ্যে ভালোভাবেই জড়িয়ে রয়েছে সোম এবং তোরসা দুজনেই। মিঠাই প্রথমে ভেবেছিল হয়তো বরদা কিছু জানেনা। তবে তার বড়দা সবকিছুই জানে এটা এক্সপেক্ট করতে পারেনি সে। বাড়িতে এসে সবটা জানাজানি হয় এবং বড়বাবু অর্থাৎ সিদ্ধার্থের বাবা রাগারাগি করে সোমকে বলে বসে তার দম থাকলে সে যেন নিজের বিজনেস একেবারে আলাদা করে নেয়। তবে বিজনেস এভাবে দু টুকরো হয়ে গেলে দাদু কি আদৌ নিজেকে সামলাতে পারবে! ঠিক কি হবে দাদুর মনের অবস্থা? এসব কিছু জানতে হলে চোখ রাখতে হবে রাত আটটায় জি বাংলার পর্দায়।