নিউজবিনোদন

বন্ধ হলেও প্রয়োজনে বাড়িতে চলবে ধারাবাহিকের শুটিং! চিন্তায় সকল কলাকৌশলি

আবারো গোটা দেশজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দিনে দিনে। ইতিমধ্যে একাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন ওমিক্রনে। আর এই সংক্রমণ বৃদ্ধিই পুনরায় বাধ সাধতে পারে শুটিং পাড়ায়। বন্ধ হতে পারে ছবি ও ধারাবাহিকের শুটিং। আপাতত সরকারি নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছেন গোটা টলিপাড়া।

এর আগে লকডাউনের সময় ছবির শুটিং বন্ধ হয়েছিল পুরোপুরি। কিন্তু ধারাবাহিকগুলির শুটিং চলছিল বাড়ি থেকেই। ধারাবাহিক গুলি যাতে একেবারে বন্ধ না হয়ে যায় তার জন্যই শুট ফ্রম হোমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তবে তা বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষক হয়নি দর্শকদের কাছে। এবারেও যদি সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আবারো শুটিং বন্ধ করতে হয় তাহলে হয়তো আবারও শুট ফ্রম হোমের ব্যবস্থা করা হবে। কারণ বছর শেষে বেশিরভাগ তারকারাই ছুটির মুডে রয়েছেন, ধারাবাহিক গুলির ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যাঙ্কিং নেই এই মুহূর্তে।

শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থাৎ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন প্রোডিউসার্সের শীর্ষকর্তা এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। যদি তাদের শুটিং বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয় তাহলে তাদের সেটাই করতে হবে, সেক্ষেত্রে আলাদাভাবে কিছুই করার নেই। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে শুটিংয়ের কাজ সমস্ত নিয়ম বিধি মেনেই চলছে।

যদি সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শুটিং বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আগের মতই শুট ফ্রম হোম চলবে। সরকার তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর পরেই আর্টিস্ট ফোরাম, প্রযোজকেরা, ফেডারেশন এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষ একসাথে বসে সমস্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। করোনার প্রথম ঢেউ এর সময় ধারাবাহিকের নতুন পর্বের ব্যাঙ্কিং ছিলনা কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় কিছুটা হলেও আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ তারকা ছুটির মেজাজে থাকায় সেরম নতুন পর্বের ব্যাঙ্কিং নেই বললেই চলে। যদি শুটিং বন্ধের নির্দেশ আসে তাহলে কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়তে হবে ধারাবাহিকের প্রযোজক ও পরিচালকদের। উল্লেখ্য, আগেরবার লকডাউন চলাকালীন বহু তারকাদের সাথে বেতন নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এবার যদি আবারো শুট ফ্রম হোমের প্রয়োজনীয়তা আসে তাহলে এমন ঘটনা না ঘটাই বাঞ্ছনীয়।

Related Articles