বয়স ৪০ পেরোলেও ধরে রেখেছেন ফিগার, হট লুকে ঝড় তুলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, ফাঁস সুচিত্রা সেনের নাতনি রাইমার ডায়েট সিক্রেট

Raima Sen

যদি মুনমুন সেন (Mummum Sen) তাঁর মা হন এবং দিদিমা মহানায়িকা সুচিত্রা সেন (Suchitra Sen)হন তাহলে তো সৌন্দর্য্য এবং অভিনয় তাঁর অঙ্গে অঙ্গে জড়িয়ে থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মা, দিদিমার নামে নয়, নিজের অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের জোরেই টলিউডে নিজেকে প্রথম সারির অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অভিনেত্রী রাইমা সেন (Raima Sen)। ঋতুপর্ণ ঘোষ থেকে সৃজিত মুখার্জি মতন স্বনামধন্য পরিচালকের ছবিতে মুখ্য অভিনেত্রী হিসেবে নাম থাকে অভিনেত্রী রাইমার। সবাই বলে, দিদিমা সুচিত্রা সেনের (Suchitra Sen) সঙ্গে তাঁর অদ্ভূত মুখের মিল।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Raima Sen (@raimasen)

রাইমা সেন, একাধারে যেমন ভালো অভিনেত্রী, তেমনি নানারকম স্টানিং লুকে তিনি মাঝে মাঝে ভক্তদের ক্লিন বোলড করে থাকেন। সঙ্গে একথা বলতেই হবে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর নিত্য আনাগোনা। তাঁর শেয়ার করা প্রতিটা ছবিই যেন মুহূর্তেই মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Raima Sen (@raimasen)

এই অভিনেত্রীর বয়স ৪১ ঠেকেছে, কিন্তু কে বলবে, তাঁর ফিগার যেন একেবারে টানটান, নেই কোনো মেদের ছিটে ফোঁটা। তাঁর বাংলা উচ্চারণ স্পষ্ট নাহলেও ভাঙা ভাঙা বাংলা উচ্চারণেই যেন তিনি মন জিতে নিয়েছেন আপামর বাঙালির। হইচইসহ একাধিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে একাধিক ওয়েবসিরিজে চুটিয়ে অভিনয় করে ইতিমধ্যেই বাঙালির ওয়েবসিরিজের একমাত্র হিরোইন হয়ে উঠেছেন রাইমা সেন। কিন্তু কীভাবে নিজেকে বোল্ড লুকে ধরে রাখেন রাইমা, কিভাবে এত সুন্দর ফিগার বানিয়েছেন তিনি, যা বেশ ভাবায তাঁর ভক্তদের! তবে এর উত্তরটা বোধহয় খুব একটা কঠিন নয়, এই সেলেব কিডের সুন্দর লুক ও ফিগারের রহস্য একমাত্র যোগা। তা বলাই বাহুল্য!

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Raima Sen (@raimasen)

প্রতিটি সেলিব্রিটিদের এখন ফিগার ধরে রাখার রহস্য একমাত্র যোগ ব্যায়াম। রাইমার(Raima Sen) কথায় জানা যায়, তিনি প্রত্যহ যোগা করেন। রীতিমতো নিয়ম করে এই শরীর চর্চা তাঁর এখন অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে। যা থেকে তিনি পান এনার্জিও। তাছাড়া তো আছেই ডায়েট কেননা বাইরের খাবার খুব একটা পছন্দ করেন না তিনি। বাকি দিন কড়া ডায়েটেই চলে তাঁর খাওয়া-দাওয়া। দুঘণ্টা পর পরই খাবার খেয়ে থাকেন রাইমা। বাড়ির তৈরি খাবারেই বিশ্বাসী তিনি, এছাড়া সন্ধে সাতটার পর আর কিছু খাননা তিনি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জলও পান করে থাকেন রাইমা প্রতিনিয়ত। সঙ্গে মেডিটেশনও আছে, যা মনকে শান্ত রাখে। তবে তিনি ব্যায়াম প্রাণায়মের মাধ্যমে নয়, গান শুনেও মেডিটেশন পালন করেন তিনি।